
Prof Dr. Md Amdat Ullah Khan-Medicine Specialist – অধ্যাপক ডাঃ মোঃ এমদাদ উল্লাহ্ খান- মেডিসিন বিশেষজ্ঞ
এম.বি.বি.এস (ঢাকা), বি.সি.এস (স্বাস্থ্য)
এম.সি.পি.এস (মেডিসিন),
এফ সি পি এস (মেডিসিন) এম এ সি পি (আমেরিকা)
উচ্চতর ট্রেনিং কার্ডিওলোজী, (এনআইসিভিডি)
অধ্যাপক (মেডিসিন)
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
চেম্বারঃ
প্রান্ত স্পেশালাইজড হসপিটাল
২০৭ চরপাড়া, ময়মনসিংহ, বাংলাদেশ
+৮৮ ০১৩০৪ ৩৩ ৯৯ ১১, +৮৮ ০১৩০৪ ৩৩ ৯৯ ২২
prantospecializedhospital@gmail.com
রোগী দেখার সময়:
প্রতিদিন বিকাল ৩টা থেকে
রাত ৯টা পর্যন্ত
শুক্রবার বন্ধ

জ্বর, সর্দি, কাশি—এইসব সাধারণ অসুখের জন্য আমরা অনেকেই ডাক্তারের কাছে যাই। কিন্তু যখন শরীরের ভেতরে কোনো জটিল রোগ বাসা বাঁধে, যখন বুকে ব্যথা হয়, শ্বাস নিতে কষ্ট হয়, বা দীর্ঘদিন ধরে জ্বরে ভুগি—ঠিক তখনই প্রয়োজন পড়ে একজন অভিজ্ঞ ও বিশ্বস্ত মেডিসিন বিশেষজ্ঞের। ময়মনসিংহবাসীর জন্য সেই আস্থার নাম অধ্যাপক ডাঃ মোঃ এমদাদ উল্লাহ্ খান।
তিনি শুধু একজন ডাক্তার নন, তিনি একজন শিক্ষক, গবেষক এবং আন্তর্জাতিক মানের চিকিৎসক। তাঁর হাত ধরে হাজারো রোগী জটিল রোগ থেকে মুক্তি পেয়েছেন। চলুন, তাঁর বিস্তারিত পরিচয় ও চিকিৎসাসেবা সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।
একজন মেডিসিন বিশেষজ্ঞের শিক্ষাগত যোগ্যতা যত উচ্চ পর্যায়ের হয়, রোগীর আস্থা তত বেশি হয়। অধ্যাপক ডাঃ মোঃ এমদাদ উল্লাহ্ খান তাঁর শিক্ষাজীবনে অর্জন করেছেন একাধিক মর্যাদাপূর্ণ ডিগ্রি, যা তাঁকে দেশের শীর্ষস্থানীয় চিকিৎসকদের কাতারে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
| ডিগ্রি | প্রতিষ্ঠান | গুরুত্ব |
|---|---|---|
| এমবিবিএস (ঢাকা) | ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় | মৌলিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভিত্তি |
| বিসিএস (স্বাস্থ্য) | বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস | সরকারি স্বাস্থ্যসেবায় দক্ষতার স্বীকৃতি |
| এমসিপিএস (মেডিসিন) | বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনস | মেডিসিনে স্নাতকোত্তর দক্ষতা |
| এফসিপিএস (মেডিসিন) | বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনস | দেশের সর্বোচ্চ বিশেষজ্ঞ ডিগ্রি |
| এমএসিপি (আমেরিকা) | আমেরিকান কলেজ অব ফিজিশিয়ানস | আন্তর্জাতিক স্বীকৃত বিশেষজ্ঞ মর্যাদা |
| উচ্চতর ট্রেনিং (কার্ডিওলজি) | ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ (এনআইসিভিডি) | হৃদরোগে বিশেষ দক্ষতা |
এমএসিপি (আমেরিকা) ডিগ্রিটি তাঁর প্রোফাইলে যুক্ত করেছে আন্তর্জাতিক মাত্রা। এটি একটি অত্যন্ত সম্মানজনক স্বীকৃতি, যা প্রমাণ করে যে তাঁর চিকিৎসাজ্ঞান ও অনুশীলন আমেরিকার মতো উন্নত দেশের মানের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ।
বর্তমানে তিনি ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত। একটি সরকারি মেডিকেল কলেজে অধ্যাপক পদে অধিষ্ঠিত থাকা তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা, শিক্ষাদানে দক্ষতা এবং রোগী পরিচালনায় পারদর্শিতার প্রমাণ বহন করে।
একজন অধ্যাপক হিসেবে তিনি শুধু রোগী দেখেন না, তিনি মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীদের জটিল রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসার কৌশল শেখান। প্রতিদিন তাঁর হাতে শত শত রোগী জটিল রোগের সমাধান পান, এবং তাঁর শিক্ষার্থীরা হয়ে ওঠেন আগামীর দক্ষ চিকিৎসক।
অধ্যাপক ডাঃ মোঃ এমদাদ উল্লাহ্ খান-এর বিশেষত্ব হলো জটিল রোগের সঠিক নির্ণয়। তিনি রোগীকে সময় দেন, ধৈর্য ধরে সমস্যার ইতিহাস শোনেন, এবং আধুনিক বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে চিকিৎসা প্রদান করেন। তাঁর প্রধান দক্ষতার ক্ষেত্রগুলো হলো:
উচ্চতর ট্রেনিং কার্ডিওলজিতে (এনআইসিভিডি) প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত তিনি হৃদরোগের জটিল সমস্যা যেমন:
এসব রোগের আধুনিক চিকিৎসায় তিনি অত্যন্ত দক্ষ।
ডায়াবেটিস এখন নীরব মহামারি। তিনি শুধু ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ নয়, এর জটিলতা যেমন কিডনি সমস্যা, নিউরোপ্যাথি, ডায়াবেটিক ফুট ইত্যাদির সমন্বিত চিকিৎসা দিয়ে থাকেন। এছাড়া থাইরয়েড, স্থূলতা ও অন্যান্য হরমোনজনিত রোগের চিকিৎসায়ও তিনি পারদর্শী।
দীর্ঘমেয়াদী কাশি, হাঁপানি (অ্যাজমা), ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ (সিওপিডি), নিউমোনিয়া, যক্ষ্মা (টিবি)—এসব রোগের সঠিক রোগনির্ণয় ও কার্যকর চিকিৎসা দিয়ে থাকেন তিনি।
মাথাব্যথা, মাইগ্রেন, মৃগীরোগ (এপিলেপসি), স্ট্রোক পরবর্তী জটিলতা, প্যারালাইসিস, পারকিনসন্স রোগ—এসব ক্ষেত্রেও তাঁর অভিজ্ঞতা বিশাল।
পেটের বিভিন্ন সমস্যা, লিভার সিরোসিস, হেপাটাইটিস, গ্যাস্ট্রাইটিস, আলসার, প্যানক্রিয়াটাইটিস—এসব রোগের আধুনিক চিকিৎসায় তিনি দক্ষ।
ক্রনিক কিডনি ডিজিজ (সিকেডি), ইউরিন ইনফেকশন, প্রোটিনুরিয়া—এসব রোগের প্রাথমিক নির্ণয় ও সঠিক চিকিৎসায় তাঁর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।
টাইফয়েড, ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া, চিকুনগুনিয়া, করোনাসহ বিভিন্ন ভাইরাল ও ব্যাকটেরিয়াজনিত জ্বরের সঠিক চিকিৎসা দিয়ে থাকেন তিনি।
অর্থ্রাইটিস, রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস, লুপাস, গাউট—এসব জটিল রোগের চিকিৎসায় তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে।
১. সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা: এফসিপিএস (মেডিসিন) ও এমএসিপি (আমেরিকা)—দেশের সেরা এবং আন্তর্জাতিক মানের ডিগ্রি অর্জন করেছেন।
২. হৃদরোগে বিশেষ দক্ষতা: কার্ডিওলজিতে উচ্চতর প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত, যা তাকে জটিল হৃদরোগীদের চিকিৎসায় অনন্য করে তুলেছে।
৩. সরকারি মেডিকেল কলেজের অধ্যাপক: দীর্ঘ শিক্ষকতা ও চিকিৎসা অভিজ্ঞতা তাঁকে রোগ নির্ণয়ে অতুলনীয় দক্ষতা এনে দিয়েছে।
৪. সময় দিয়ে রোগী দেখা: তিনি প্রতিটি রোগীকে প্রয়োজনীয় সময় দেন, ধৈর্য ধরে সমস্যার ইতিহাস শোনেন এবং প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে সঠিক রোগ নির্ণয় করেন।
৫. অহেতুক চিকিৎসা নয়: তিনি রোগীর প্রকৃত প্রয়োজনের ভিত্তিতে চিকিৎসা প্রদান করেন, অপ্রয়োজনীয় পরীক্ষা বা ওষুধ এড়িয়ে চলেন।
“বুকে ব্যথা নিয়ে ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। অধ্যাপক এমদাদ উল্লাহ্ খান স্যারের কাছে গিয়ে পুরো ইতিহাস শোনার পর কিছু পরীক্ষা করালেন। তিনি আমাকে আশ্বস্ত করলেন এবং সঠিক চিকিৎসা দিলেন। এখন আমি সুস্থ আছি। তাঁর মতো ধৈর্যশীল ডাক্তার খুব কমই দেখা যায়।” – আবুল কালাম আজাদ, ময়মনসিংহ
“আমার বাবার দীর্ঘমেয়াদী ডায়াবেটিস ও কিডনি সমস্যা ছিল। স্যার খুব যত্ন সহকারে সব কিছু বুঝিয়ে বলেছেন, ওষুধ ঠিক করেছেন। এখন বাবা অনেক ভালো আছেন। তিনি শুধু ডাক্তার নন, একজন অভিভাবকের মতো রোগীর পাশে থাকেন।” – তাসনিম আক্তার, ত্রিশাল
“আমার স্ত্রীর থাইরয়েড সমস্যা ধরা পড়েছিল। অনেক জায়গায় ঘুরেও সঠিক চিকিৎসা পাচ্ছিলাম না। স্যারের কাছে আসার পর তিনি সঠিক ডায়াগনোসিস করে চিকিৎসা দিলেন। এখন তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ। অধ্যাপক স্যারের প্রতি চিরকৃতজ্ঞ।” – মোঃ জাকির হোসেন, ফুলপুর
জটিল রোগ যত দ্রুত শনাক্ত ও চিকিৎসা শুরু করা যায়, রোগীর সুস্থতার সম্ভাবনা তত বাড়ে। অধ্যাপক ডাঃ মোঃ এমদাদ উল্লাহ্ খান তাঁর চেম্বারে প্রতিদিন রোগী দেখেন। আপনি নিচের ঠিকানায় সরাসরি যোগাযোগ করতে পারেন।
ঠিকানা: ২০৭ চরপাড়া, ময়মনসিংহ, বাংলাদেশ
ফোন: +৮৮ ০১৩০৪ ৩৩ ৯৯ ১১, +৮৮ ০১৩০৪ ৩৩ ৯৯ ২২
ইমেইল: prantospecializedhospital@gmail.com
প্রতিদিন: বিকাল ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত
শুক্রবার: বন্ধ
টিপস: ভিড় এড়াতে আগেভাগে ফোন করে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে আসা উত্তম।
অনেক সময় ছোটখাটো উপসর্গকে আমরা এড়িয়ে যাই। কিন্তু বুকে হালকা ব্যথা, দীর্ঘস্থায়ী কাশি, অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস, বা বারবার জ্বর—এসব কিন্তু বড় কোনো রোগের ইঙ্গিত হতে পারে। সময়মতো সঠিক বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হওয়াই জটিলতা এড়ানোর সবচেয়ে বড় উপায়।
অধ্যাপক ডাঃ মোঃ এমদাদ উল্লাহ্ খান তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা, আধুনিক জ্ঞান এবং রোগীর প্রতি মমত্ববোধ নিয়ে আছেন আপনার পাশে। নিজের ও পরিবারের সুস্থতার জন্য তাঁর শরণাপন্ন হোন।
মনে রাখবেন: সঠিক চিকিৎসকের হাতে সময়মতো চিকিৎসা—সুস্থ জীবনের মূলমন্ত্র।