
এমবিবিএস (ঢাকা), বিসিএস (স্বাস্থ্য) এফসিপিএস (সার্জারী)
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল
বিএমডিসি রেজি: নং-A-57219

চেম্বারঃ-১
পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার লিঃ
২৫২/১, চরপাড়া রোড (ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের বিপরীতে) ময়মনসিংহ,
হটলাইন: ০৯৬৬৬-৭৮৭৮১৪
রোগী দেখার সময়:
শনি, রবি, সোম, মঙ্গল ও বৃহস্পতিবার দুপুর ২.৩০মি: থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত
বুধ, শুক্র ও সরকারী ছুটির দিন বন্ধ
চেম্বারঃ-২
সময় ডায়াগনোষ্টিক এন্ড হাসপাতাল (প্রাঃ)
রোগী দেখার সময়-
প্রতি শনি থেকে বৃহস্পতিবার
দুপুর ২:৪৫ মিনিটে হতে রাত ৮টা পর্যন্ত।
৫৪/১, মেডিকেল কলেজ গেইটের বিপরীতে, চর পাড়া, ময়মনসিংহ
সিরিয়ালের জন্য: tel:01333119402
যখন চিকিৎসা শুধু পেশা নয়, বরং দায়িত্ব আর মানবিকতার নাম
স্বাস্থ্য মানুষের জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ। অথচ আমরা অনেক সময় অসুস্থ না হওয়া পর্যন্ত এর গুরুত্ব বুঝতে পারি না। বিশেষ করে যখন অস্ত্রোপচারের কথা আসে, তখন ভয়, দুশ্চিন্তা আর অনিশ্চয়তা আমাদের মনকে আচ্ছন্ন করে ফেলে। ঠিক সেই মুহূর্তে একজন দক্ষ, অভিজ্ঞ এবং মানবিক সার্জনের প্রয়োজন হয়, যিনি শুধু অস্ত্রোপচারই করবেন না, রোগীর মনের ভয়ও দূর করবেন।
ময়মনসিংহ জেলার এমনই একজন নির্ভরযোগ্য নাম হলেন ডাঃ নাজিয়া ইসলাম। তিনি একজন জেনারেল ও ল্যাপারোস্কপিক সার্জন, যিনি পায়ুপথ ও স্তন রোগে বিশেষভাবে অভিজ্ঞ। তাঁর চিকিৎসা মানেই কেবল আধুনিক সার্জারি নয়, বরং একজন রোগীর প্রতি পূর্ণ দায়িত্ববোধ, সহমর্মিতা এবং আন্তরিকতা।
ডাঃ নাজিয়া ইসলামের চিকিৎসা জীবনের ভিত্তি গড়ে উঠেছে কঠোর পরিশ্রম, অধ্যবসায় এবং সঠিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে।
তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করেন, যা নিজেই তাঁর মেধা ও যোগ্যতার প্রমাণ। এরপর বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারের একজন চিকিৎসক হিসেবে তিনি সরকারি দায়িত্বে যুক্ত হন।
সার্জারিতে উচ্চতর দক্ষতা অর্জনের জন্য তিনি FCPS (সার্জারি) ডিগ্রি সম্পন্ন করেন, যা সার্জারি ক্ষেত্রে একটি সম্মানজনক ও কঠিন অর্জন। বর্তমানে তিনি ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে কর্মরত থেকে প্রতিদিন অসংখ্য রোগীর সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখছেন।
ডাঃ নাজিয়া ইসলাম একজন অভিজ্ঞ জেনারেল সার্জন হিসেবে পেটের বিভিন্ন রোগ, গলব্লাডার, অ্যাপেন্ডিক্স, হার্নিয়া, টিউমারসহ নানাবিধ সমস্যার চিকিৎসায় পারদর্শী। পাশাপাশি তিনি আধুনিক ল্যাপারোস্কপিক সার্জারি বা কিহোল সার্জারিতে বিশেষ দক্ষ।
ল্যাপারোস্কপিক সার্জারির সুবিধা হল—
এই আধুনিক পদ্ধতির মাধ্যমে ডাঃ নাজিয়া ইসলাম রোগীদের কষ্ট কমিয়ে দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে সহায়তা করছেন।
পায়ুপথের রোগ যেমন—
এই সমস্যাগুলো নিয়ে অনেক রোগী লজ্জা বা ভয়ে চিকিৎসকের কাছে যেতে দেরি করেন। কিন্তু দেরি করলে সমস্যা আরও জটিল হয়। ডাঃ নাজিয়া ইসলাম এই বিষয়টি খুব ভালোভাবে বোঝেন। তাই তিনি রোগীদের সঙ্গে এমনভাবে কথা বলেন, যেন রোগী নিজের সমস্যার কথা নির্ভয়ে বলতে পারেন।
তাঁর কাছে চিকিৎসা মানেই রোগীর সম্মান রক্ষা করে, নিরাপদ ও কার্যকর সমাধান দেওয়া।
স্তন সম্পর্কিত যেকোনো সমস্যা নারীদের জন্য মানসিকভাবে খুব স্পর্শকাতর। অনেক নারী ভয়ে বা সামাজিক সংকোচে সমস্যার কথা লুকিয়ে রাখেন। ডাঃ নাজিয়া ইসলাম স্তন রোগের ক্ষেত্রে রোগীকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখেন।
তিনি স্তনের—
এসব বিষয়ে সচেতনতা তৈরি করেন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী পরীক্ষা ও চিকিৎসা দেন। তাঁর লক্ষ্য শুধু রোগ নিরাময় নয়, রোগীকে মানসিকভাবে শক্ত রাখা।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে একজন দক্ষ নারী সার্জন হওয়া এখনো সহজ নয়। কিন্তু ডাঃ নাজিয়া ইসলাম এই চ্যালেঞ্জকে শক্তিতে পরিণত করেছেন। বিশেষ করে নারী রোগীরা তাঁর কাছে আলাদা স্বস্তি ও নিরাপত্তা অনুভব করেন।
তিনি রোগীর কথা মন দিয়ে শোনেন, সময় নিয়ে বোঝান এবং কোনো সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেন না। এই মানবিক দৃষ্টিভঙ্গিই তাঁকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে।
যারা তাঁর কাছে চিকিৎসা নিয়েছেন, তাদের অনেকেই বলেন—
“ডাক্তার আপা শুধু চিকিৎসা করেন না, তিনি সাহস দেন।”
এই বিশ্বাস তৈরি হওয়া সহজ নয়। এটি আসে সততা, দক্ষতা আর আন্তরিকতা থেকে। অপারেশনের আগে রোগীর ভয়, অপারেশনের পর যত্ন, সবকিছুতেই তাঁর দায়িত্ববোধ স্পষ্ট।
ময়মনসিংহ অঞ্চলে ভালো সার্জনের খোঁজে যারা দুশ্চিন্তায় থাকেন, তাদের জন্য ডাঃ নাজিয়া ইসলাম এক আস্থার ঠিকানা। সরকারি হাসপাতালের দায়িত্বের পাশাপাশি তিনি রোগীদের সর্বোচ্চ মানের চিকিৎসা দেওয়ার চেষ্টা করেন।
তিনি বিশ্বাস করেন—
“একজন ভালো ডাক্তার হওয়ার মানে শুধু দক্ষ হওয়া নয়, ভালো মানুষ হওয়াও জরুরি।”
ডাঃ নাজিয়া ইসলাম এমন একজন চিকিৎসক, যিনি তাঁর জ্ঞান, অভিজ্ঞতা আর মানবিকতা দিয়ে প্রতিদিন মানুষের জীবনকে সহজ করে তুলছেন। জেনারেল ও ল্যাপারোস্কপিক সার্জারি, পায়ুপথ ও স্তন রোগে তাঁর দক্ষতা ময়মনসিংহবাসীর জন্য নিঃসন্দেহে একটি বড় আশীর্বাদ।
যখন চিকিৎসা হয় বিশ্বাসের জায়গা থেকে, তখন সুস্থতাও আসে দ্রুত। ডাঃ নাজিয়া ইসলাম ঠিক সেই বিশ্বাসের নাম।