
ডা: কামিনী কুমার ত্রিপুরা
সহকারী অধ্যাপক।
প্রেসিডেন্ট আব্দুল হামিদ মেডিকেল
কলেজ হাসপাতাল, কিশোরগঞ্জ।
এমবিবিএস (ঢাকা), বিসিএস (স্বাস্থ্য),
ডিএলও
ইএনটি বিশেষজ্ঞ ও হেড নেক সার্জন

প্রান্ত স্পেশালাইজড হাসপাতাল, ময়মনসিংহ
ঠিকানা: 67, চরপাড়া, ময়মনসিংহ
এপয়েন্টমেন্ট +8801788222000
ডাঃ কামিনী কুমার ত্রিপুরা: কিশোরগঞ্জ ও আশপাশের অঞ্চলে ইএনটি চিকিৎসার বিশ্বস্ত নাম
নাক, কান ও গলার (ইএনটি) সমস্যা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে খুব সাধারণ হলেও অবহেলা করলে তা জটিল রূপ নিতে পারে। কানে পানি পড়া, শ্রবণশক্তি কমে যাওয়া, নাক বন্ধ, সাইনাসের প্রদাহ, টনসিলের সমস্যা, গলার টিউমার, হেড-নেকের ক্যান্সার—এসব ক্ষেত্রে সঠিক বিশেষজ্ঞের হাতে চিকিৎসা নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোনা, ময়মনসিংহ ও আশপাশের এলাকায় এমনই একজন অভিজ্ঞ ও সম্মানিত ইএনটি বিশেষজ্ঞ হলেন ডাঃ কামিনী কুমার ত্রিপুরা। তিনি প্রেসিডেন্ট আব্দুল হামিদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, কিশোরগঞ্জ-এর ইএনটি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক এবং বিভাগীয় প্রধান (Associate Professor & Head of Department, ENT)। দীর্ঘ অভিজ্ঞতা, ডিএলও ডিগ্রি এবং রোগীদের প্রতি সহানুভূতিশীল আচরণ দিয়ে তিনি অসংখ্য রোগীর জীবনে স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছেন।
ডাঃ কামিনী কুমার ত্রিপুরার শিক্ষাগত যোগ্যতা অত্যন্ত মানসম্মত:
ডিএলও ডিগ্রি ইএনটি ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞতার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এই ডিগ্রি অর্জনের পর তিনি বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারে যোগ দেন এবং প্রেসিডেন্ট আব্দুল হামিদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ইএনটি বিভাগে যোগ দেন। বর্তমানে তিনি সহকারী অধ্যাপক এবং বিভাগীয় প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এই পদে তিনি শুধু রোগী চিকিৎসা করেন না, মেডিকেল ছাত্রছাত্রীদের প্রশিক্ষণও দেন এবং বিভাগের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
প্রেসিডেন্ট আব্দুল হামিদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কিশোরগঞ্জ জেলা ও আশপাশের এলাকার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান। এখানে ইএনটি বিভাগে ডাঃ ত্রিপুরার নেতৃত্বে আধুনিক চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হচ্ছে। তিনি হাসপাতালে প্রতি রবি ও বৃহস্পতিবার সকাল ৮:৩০টা থেকে দুপুর ২:৩০টা পর্যন্ত রোগী দেখেন। এছাড়া প্রাইভেট চেম্বারে রোগীদের সেবা দেন।
তার বিশেষজ্ঞতার ক্ষেত্রগুলো বৈচিত্র্যময়:
তার অভিজ্ঞতা ও দায়িত্বশীলতার কারণে জটিল কেসে (যেমন: ক্রনিক সাপুরেটিভ ওটাইটিস মিডিয়া, নাকের পলিপ সার্জারি, হেড-নেক টিউমার) তার সাফল্যের হার উচ্চ। অনেক রোগী যারা ঢাকা বা অন্য জেলায় যেতে চান না, তারা স্থানীয়ভাবে তার কাছে উন্নত চিকিৎসা পান।
কিশোরগঞ্জ ও আশপাশের গ্রামীণ এলাকায় ইএনটি বিশেষজ্ঞের অভাব ছিল। ডাঃ কামিনী কুমার ত্রিপুরার মতো অভিজ্ঞ চিকিৎসকের উপস্থিতি অনেক রোগীর জন্য আশীর্বাদ। তিনি রোগীদের সাথে খুব সহজভাবে কথা বলেন, সমস্যা বিস্তারিত শোনেন এবং সঠিক পরামর্শ দেন। তার চিকিৎসায় অনেকে অপারেশনের পর স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এসেছেন।
রোগীরা তার সম্পর্কে বলেন—“স্যারের কাছে গেলে মনে হয় পরিবারের সদস্যের সাথে কথা বলছি।” অনলাইন ডিরেক্টরি (যেমন Sera Doctor, Daktarachen) এবং লোকাল ফোরামে তার নাম ইতিবাচকভাবে উল্লেখ হয়।
সহকারী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান হিসেবে তিনি মেডিকেল ছাত্রছাত্রীদের প্রশিক্ষণ দেন। তার বিভাগে নতুন চিকিৎসকরা আধুনিক ইএনটি চিকিৎসা শিখছেন। তিনি রোগীদের সচেতনতা বাড়াতে কাজ করেন—যেমন কানের সংক্রমণ প্রতিরোধ, নাক-গলার অ্যালার্জি নিয়ন্ত্রণ।
ডাঃ কামিনী কুমার ত্রিপুরা শুধু একজন ইএনটি বিশেষজ্ঞ নন, তিনি কিশোরগঞ্জ অঞ্চলের নাক-কান-গলা চিকিৎসার একটি শক্তিশালী স্তম্ভ। তার ডিএলও যোগ্যতা, অধ্যাপক পদ এবং রোগীদের প্রতি ভালোবাসা তাকে অনন্য করে তুলেছে। যাদের নাক-কান-গলার কোনো সমস্যা রয়েছে—তারা তার কাছে আসতে পারেন।
সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসা নিলে অনেক জটিলতা এড়ানো যায়। ডাঃ কামিনী কুমার ত্রিপুরার মতো চিকিৎসকরা আমাদের সমাজে আস্থা ও আশার প্রতীক। কিশোরগঞ্জ ও আশপাশের জন্য তিনি একটি গর্বের নাম।